সরকার সমঝোতায় না এলে রাজপথে আন্দোলন: মওদুদ

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৭, ১৯:৫২
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দিতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বিএনপির সাথে সরকারকে সমঝোতায় আসতে হবে। সরকার যদি সমঝোতায় না আসে তাহলে রাজপথের আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা জানি কিভাবে আন্দোলন করে দাবি আদায় করতে হয়। প্রত্যাশা করি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর শুভবুদ্ধির উদয় হবে। 
 
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে দুইটি পথ খোলা আছে। একটি হচ্ছে সম্মানজনক বিদায় আরেকটি হচ্ছে একেবারে অসম্মানজনক, অপমানিত বিদায়। প্রধানমন্ত্রীকেই পছন্দ করতে হবে কোন মাধ্যমে তিনি ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে চান। সম্মান নিয়ে বিদায় নিতে হলে প্রধানমন্ত্রীকে সমঝোতায় আসতে হবে। অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি সমঝোতায় না আসেন তাহলে যার কপালে যা আমাদের কিছু করার নেই।
 
সোমবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনুর মুক্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভার আয়োজন করে বৃহত্তর নোয়াখালীে জেলা জাতীয়তাবাদী যুব ফোরাম। আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুইয়া, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতা গোলাম মাওলা শাহীন, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের গিয়াস উদ্দিন মানিক, বৃহত্তর নোয়াখালীে জেলা জাতীয়তাবাদী যুব ফোরামের আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রমুখ।
 
মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা অনেক ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি। গত দুই বছর কোনো কর্মসূচি দেই নাই। তারপরও সরকার পরিবর্তনে জনগণের মাঝে বিরাট আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন দিয়ে বিএনপিকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। পরিবর্তন হবেই। কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
 
মওদুদ আহমদ বলেন, সরকারের চূড়ান্ত আক্রোশের মুখে পড়েছেন তারেক রহমান। তার জন্মদিনেও তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। মূলত: তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা এই সরকারকে প্রকম্পিত করেছে। সেকারণেই তারা এই ধরনের ব্যবস্থা নেয়। তবে তারেক রহমানকে এভাবে কিছুই করা যাবেনা। দেশের মানুষ তাকে ভালোবাসে। মওদুদ আহমদ অবিলম্বে মজনুসহ আটক নেতাদের মুক্তি দাবি করেন।
 
ইত্তেফাক/এমআই