টিভি চ্যানেলে এক সাক্ষাত্কার অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদিকে গতকাল প্রশ্ন করা হয়, ভোটে উত্তর প্রদেশে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কতটা প্রভাব ফেলবেন? কংগ্রেসের ভোটভাগ্য বা ভবিষ্যতে কি বদল আনতে পারবেন তিনি? মোদির জবাব, ‘মনে হয় কোনো ব্যক্তিবিশেষ সম্পর্কে মন্তব্য করাটা ঠিক হবে না।’ এর পরেই রাহুল গান্ধীর ওয়েনাড থেকে ভোট করা নিয়ে প্রশ্নে মোদি বলেন, ‘দুই আসন থেকে লড়তে সংবিধানে বাধা নেই। কিন্তু যে পরিস্থিতিতে পারিবারিক উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া কেন্দ্র অমেতি পালাতে বাধ্য হলেন, তা চর্চার বিষয় হওয়া উচিত।’
গত ৪-৫ বছরে বহুবার তিনি গান্ধী পরিবারকে আক্রমণ করেছেন এ কথা তুলতেই মোদির দাবি, ‘একেবারেই নয়। কখনওই তা করিনি। আমি আদর্শগতভাবে পরিবারতন্ত্রের বিরোধী। কখনও ব্যক্তি আক্রমণ করিনি। পারিবারিক শাসন ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর।’
‘দুর্নীতি নিয়েও তো গান্ধীদের আক্রমণ করেছেন’— এ কথা তুলতেই আপন মেজাজে মোদি। বুঝিয়ে দেন তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আঙুল তোলেননি। এর মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘ভোপালে কী হচ্ছে দেখুন। ভ্রষ্টনাথ যা খুশি বলতে পারেন। আর্থিক কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ করা উচিত নয়? ন্যাশনাল হেরাল্ড, লালুপ্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে মামলা কি আমাদের সময়ে হয়েছে?’ এরপর মোদি যোগ করেন, ‘ওরা নিশ্চয়ই কিছু অন্যায় করেছেন, নইলে মা-ছেলেকে (সোনিয়া-রাহুল) জামিনের জন্য ছুটতে হচ্ছে কেন?’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকার
