যাতায়াত ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক অগ্রগতির খোঁজে দুবাই

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:৫৮

দিন দিন যানবাহনের সংখ্যা যে হারে বাড়ছে সে হারে বাড়ছে না রাস্তা। যানজট থেকে মুক্তি পেতে এবং আগামী দিনের উপযোগী যাতায়াত ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য বিশ্বের অনেক দেশই নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। এই দৌঁড়ে বিশ্বের বাঘা বাঘা দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। কারণ নিউইয়র্ক কিংবা লন্ডনের রাস্তার থেকে বেশি গাড়ি চলে দুবাইতে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এখন থেকে নানামুখী দিক বিবেচনা করছে দুবাই।

২০১৫ সাল থেকে দুবাইয়ের রাস্তায় চলছে দুবাই মেট্রো রেল। এই মেট্রো রেলের সুবাদে শহরের একটা বড় অংশের মানুষ নির্বিঘ্নে যানজট ছাড়া আরামদায়কভাবে যাতায়াত করতে পারছে। শহরের একটা বড় অংশের চাপ সামলাচ্ছে মেট্রো।  আর আধুনিক যুগের নতুন দুয়ার উন্মোচনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে দুই আসন বিশিষ্ট উড়ন্ত ট্যাক্সি উড্ডয়ন করেছে দুবাই। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরূপে শুরু হতে   পারে উড়ুক্কু ট্যাক্সি সেবা। তবে শুধু উড়ুক্ক ট্যাক্সি সেবা নিয়েই সন্তুষ্টু থাকতে চায় না দেশটি।

এর আগে ২০১৬ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালকবিহীন খুদে গাড়ি ইজেড-১০ নিয়েও কাজ শুরু করেছে দুবাই। নির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করে চলাচল করতে সক্ষম এই চালকবিহীন গাড়ি। কম্পিউটারের প্রোগ্রামের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রিত হবে। এর রাস্তার দুই পাশে সাদা দাগ দিয়ে রাখা থাকে। রাস্তা পুরোপুরি সোজা না হলেও কোনো সমস্যা নেই। ইজেড-১০ মডেলের গাড়ির জন্য ফরাসি প্রতিষ্ঠান ইজি মাইলের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে দুবাই ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অমনিক্স ইন্টারন্যাশনাল। এছাড়া গত বছর দুবাইতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনেও পরবর্তী প্রজন্মের উপযোগী গাড়ির প্রদর্শন করা হয়। বলা যায় ভবিষ্যতের যাতায়াতকে আরো বেশি জনবান্ধব আর সময় সাশ্রয়ী করার জন্য এক প্রকার আটঘাট করেই নামছে দুবাই।-সিএনএন

ইত্তেফাক/নূহু