জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো ) ‘ঐতিহ্যের দলিল” হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবিবার দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের শুরুতেই ছিল মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ। এসময় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ প্রদর্শিত হয়।
এ ভাষণের পরিচিতি ও প্রসারের লক্ষ্যে তা বাংলা, ইংরেজি ও তুর্কি ভাষায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. আল্লামা সিদ্দীকী বলেন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণই ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা। এ ভাষণ ছিল দেশবাসীর প্রতি স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকনির্দেশনা যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
তিনি যোগ করেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি শুধু এ ভাষণের স্বীকৃতি নয়; বঙ্গবন্ধুর উদ্দীপ্ত ও প্রেরণাদায়ী নেতৃত্ব ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতিগঠনে তাঁর অপরিমেয় অবদানের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি আকাঙ্ক্ষার-ও স্বীকৃতি। রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের পর আগত অতিথিবৃন্দ এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে তুরস্কে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশী, বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে আগত অতিথিদের বাংলাদেশী খাবারের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়।
ইত্তেফাক/সাব্বির
