অভিজিত্ হত্যা মামলা

মেজর জিয়াসহ দুইজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ১৫ জনকে অব্যাহতি

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০১৯, ২৩:০১

বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও ব্লগার ড. অভিজিত্ রায় হত্যা মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত পলাতক আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের (পুরনো নাম আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) সামরিক শাখার প্রধান সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবর রহমান অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষে আসামিদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা আদালতে জমা দেন এবং বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন। আদালত তা গ্রহণ করে ১৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দেন।

মামলায় সৈয়দ জিয়াউলসহ অভিযোগপত্রভুক্ত অপর জঙ্গিরা হলেন- আরাফাত রহমান ওরফে শামস ওরফে সাজ্জাদ, মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, আবু সিদ্দিক ওরফে সোহেল ওরফে সাকিব, আকরাম হোসেন আবির ওরফে আদনান ও শফিউর রহমান ফারাবী। এদের মধ্যে মেজর জিয়াউল ও আকরাম পলাতক।

মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া আসামিরা হলেন- সাদেক আলী মিঠু, মোহাম্মদ তৌহিদুর  রহমান, আমিনুল মল্লিক, জাফরান হাসান, জুলহাস বিশ্বাস, আবদুস সবুর রাজু সাদ, মাইনুল হাসান শামীম, মান্না ইয়াহিয়া মান্নান রাহি, আবুল বাশার, মকুল রানা, সেলিম, হাসান, আলী খলিল, অনিক ও অন্তু। এদের মধ্যে মান্না ইয়াহিয়া ও আবুল বাশার চিকিত্সাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান। আনসার আল ইসলামের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান ও সামরিক প্রশিক্ষক মুকুল রানা শরিফুল ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে অভিজিত্ রায়কে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। হামলায় তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা গুরুতর আহত হন।