সোনাগাজীতে এবার ছাত্রের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০১৯, ২৩:১২

মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার মধ্যেই সোনাগাজীতে এবার এক ছাত্রের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আগুন ধরানোর জন্য ওই ছাত্রের হাত-পা বেঁধে তার শরীরে কেরোসিন ঢালে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু তিনি আর্তচিত্কার শুরু করলে পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। গত বুধবার রাত আটটার দিকে পৌরসভার চর গণেশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তা জানা যায়নি। 

ওই ছাত্রের নাম আবু সালেহ মিম। তিনি ঢাকার পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে শেষ বর্ষে পড়তেন। আবু সালেহ মিম সোনাগাজী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার রাতেই সোনাগাজী মডেল থানায় চার/পাঁচজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন আবুল কালাম।  

মিমের স্বজনরা জানান, বুধবার রাতে হঠাত্ চিত্কার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তারা দেখে আবু সালেহ মিমের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উঠানে পড়ে রয়েছে। তার সারা শরীর কেরোসিনে ভেজা।  এক পর্যায়ে বাড়ির লোকজন তাকে সে অবস্থায়ই প্রথমেই সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিত্সক আরমান বিন আব্দুল্লাহ তাকে ফেনীর আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিমকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

মিমের এক বোন ইত্তেফাককে জানান, তার ভাইয়ের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিতে চেষ্টা করেছিল দুর্বৃত্তরা। কিন্তু লোকজন এসে পড়ায় তারা আর আগুন দিতে পারেনি।

সোনাগাজী মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আশ্রাফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার করা হবে।