জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে সম্পদ অর্জন এবং ভোগদখল করার অভিযোগে বেসিক ব্যাংকের সাবেক (বরখাস্তকৃত) উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোনায়েম খানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার চার্জশিটের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার কমিশন তার মামলা তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই বাছাই করে এ চার্জশিটের অনুমোদন দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে ৭০ লাখ ৫০ হাজার ৭৫৫ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ভোগদখলে রাখার অভিযোগ প্রমাণ পাওয়ায় এ চার্জশিট অনুমোদন দেয়া হয়।
দুদক সূত্র জানায়, বেসিক ব্যাংকের ডিএমডি (সাময়িক বরখাস্ত) মোনায়েম খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা (মামলা নম্বর-৫) দায়ের হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. শফি উল্লাহ। সম্প্রতি তিনি কমিশনে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামি মোনায়েম খানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪ হাজার ৫৬৭ টাকার সম্পদ ও মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা গ্রহণ করার উদ্যেশ্যে মালয়েশিয়া সরকারকে দেয়া ৩ লাখ রিংগিত সমমূল্যের ৭৫ লাখ ৮১ হাজার টাকাসহ বিনিয়োগ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে তার দখলে মোট ২ কোটি ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৬৭ টাকার সম্পদ রয়েছে। অপরদিকে, তার ব্যাংক ঋণ রয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার ৮১২ টাকা। এ হিসেবে তার দখলে ৭০ লাখ ৫০ হাজার ৭৫৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সেকেন্ড হোম নির্মাণের জন্য মালয়েশিয়াতে ৩ লাখ রিংগিত বা ৭৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা বিনিয়োগের ব্যাপারে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোনো অনুমোদন নেননি। এমনকি এই টাকার বৈধ কোনো আয়ের পথ দেখাতে পারেননি তিনি।
ইত্তেফাক/এমআই
