ঈশ্বরদীতে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:১৩
 
দু'দিনের ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় ঈশ্বরদীসহ অত্র এলাকায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ২ ডিগ্রী কমে ৭.৫ ডিগ্রীতে নেমেছে। চারিদিকে বইছে উত্তরের তীব্র হিমেল হাওয়া। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস এই অবস্থাকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ অত্র এলাকায় প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছ। তাপমাত্রা আরো আরো নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। ফলে ঈশ্বরদীসহ উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত।
 
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। আকাশ থাকে মেঘাচ্ছন্ন। সেই সাথে নামছে তুষারের মতো কুয়াশা। সন্ধ্যা হতে পরদিন আধাবেলা পর্যন্ত প্রচণ্ড শীতের দাপট। ঘন কুয়াশা টিপ টিপ করে বৃষ্টির মতো ঝরছে। কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ট্রেন ধীরগতিতে চলাচল করায় পাকশী বিভাগীয় রেলের অধীনে চলাচলরত প্রতিটি ট্রেনই ৩-৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে।
 
তীব্র শীতের কারণে সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষ গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বেরোচ্ছে না। ছিন্নমূল মানুষের অবস্থা কাহিল। গরম কাপড় কিনতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষেরা ভিড় করছে রেলওয়ের পুরাতন মার্কেটে। কাজে যেতে না পারায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এদিকে ঈশ্বরদী পদ্মা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষের অবস্থা অবর্ণনীয়। সন্ধ্যার পর থেকে ছিন্নমূল অসহায় মানুষেরা ফুটপাতে খড়-কুটায় আগুন জ্বালিয়ে নিবারণ করছে শীত।
 
আবহাওয়া অফিস বলছে শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে যা আগামী ৩-৪ দিন অব্যাহত থাকবে। তবে ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা ও কনকনে শীতে দিনমজুর ও সাধারণ মানুষেরা ঘর থেকে বেরোতে পারছে না।
 
ইত্তেফাক/জামান