অনাড়ম্বরে ফেলানীর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেছে পরিবার। গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ প্রশাসনের লোকজন ফেলানীর মৃত্যু বার্ষিকীতে অংশগ্রহণ ও আর্থিক সহযোগিতা করলেও এবারে তেমনটা হয়নি। তবে বিজিবির পক্ষ থেকে এ উপলক্ষে ফেলানীর বাবাকে কিছু আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।
৭ জানুয়ারি রবিবার সকালে বাবা নুরল ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম তাদের ৫ সন্তানকে নিয়ে ফেলানীর কবর জিয়ারত করে। দুপুরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের এই দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর অনন্তপুর সীমান্তে ৯৪৭ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলার ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশ দিয়ে মই বেয়ে কাটাতার ডিঙিয়ে বাবার সাথে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় টহলরত চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ তাকে গুলি করে হত্যা করে। সে নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনিটারী গ্রামের নুরল ইসলাম ও জাহানারা বেগম দম্পতির প্রথম সন্তান।
ইত্তেফাক/জামান
