জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বিল-২০১৭ এর ওপর শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট আজ সোমবার সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী রিপোর্টটি উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়।
জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করে গত ১০ জুলাই শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বিলটি উত্থাপন করেন।
বিলে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম নির্দিষ্ট এলাকা সীমাবদ্ধ রাখতে উপযুক্ত কোন এলাকাকে জোন হিসেবে ঘোষণার বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের অনুমতি গ্রহণক্রমে কোন জোনে ইয়ার্ড স্থাপন করার বিধানেরও প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে জোনের বাইরে ইয়ার্ড স্থাপন বা অনুরূপ কোন স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।
বিলে ইয়ার্ডে আমদানিকৃত বা স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ করার বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ ধরনের কোন প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য সংগ্রহের পূর্বে বোর্ডের অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করতে হবে। বিলে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে আন্তর্জাতিক মান সংরক্ষণে এ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশনের শর্ত প্রতিপালনের বিষয়টি নিশ্চিত করার বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার কর্মকর্তাকে চেয়ারম্যান করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বোর্ড গঠনের বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলে বোর্ডের কার্যালয়, বোর্ড গঠন, বোর্ডের কার্যাবলী ক্ষমতা, সভা, মহাপরিচালক নিয়োগ, জনবল কাঠামো, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম, পরিদর্শন, বার্ষিক প্রতিবেদন, বোর্ডের তহবিল, বাজেট, হিসাব রক্ষণ নিরীক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/কেকে
