বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেছেন, ব্যাংকিং খাতে যথেষ্ট তারল্য রয়েছে। এটি নিয়ে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। আমরা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে আছি। এখন শুধু আমাদের কর্পোরেট রেসপনসিবিলিটি বা ম্যানেজমেন্ট পূরণ করতে হবে। এটি নিয়মিত চর্চার বিষয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিয়ম- কানুন চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। সেভাবে করলে আমাদের ব্যাংকিং খাত সব সময় ভালো থাকবে। তিনি বলেন, আপনারা যথাযথ ভাবে ঋণ বিতরণ করবেন। যে কাজের জন্য ঋণ দিচ্ছেন, সেই কাজ যেন হয়, ঋণ বিতরণের পরে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেন তিনি।
গতকাল শনিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে প্রধান অতিথি হিসেবে আল আরাফাহ্ ব্যাংকের বৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং বৃত্তিপ্রাপ্তদের সনদপত্র প্রদান করেন গভর্নর ফজলে কবির। আয়োজক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ লাবু অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ফরমান আর চৌধুরী।
আব্দুস সামাদ লাবু বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। আল আরাফাহ্ ব্যাংক ইসলামি শরীয়াহ্ মেনে চলছে। সুদমুক্ত হালাল অর্জনের জন্য সেবামূলক মনোভাব নিয়ে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
ফরমান আর চৌধুরী বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠলে আমাদের এই উদ্যোগ সফল হবে।
বৃত্তি পাওয়া দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া মাসুদ রানা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্জিয়া খানম জুথি, বরিশাল মেডিক্যাল কলেজের মো. পারভেজ রহমান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইশরাত জাহান মুন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হুমায়ুন কবির।
প্রথমবারের মতো আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক সারাদেশের উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা ২০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল। আগামী চার বছর বৃত্তি ছাড়াও প্রতি বছর পোশাকের জন্য ৩ হাজার টাকা এবং পাঠ্য উপকরণের জন্য ৫ হাজার টাকা দিবে। আগামী বছর থেকে ৮০০ জন করে পাবেন এই বৃত্তি। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যগণ ছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
