ফোকাস বাংলার চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর লুট, আহত ৪

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:১৭
 
সংবাদ সংস্থা ফোকাস বাংলার চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের গৌরনদী উপজেলার হোসনাবাদ গ্রামের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকালে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় চারজন আহত হয়েছে। গুরুতরভাবে আহত একজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
 
স্থানীয় লোকজন জানায়, গৌরনদীর নিজাম উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে আগরপুর ডিগ্রি কলেজের ছাত্র শান্ত মোল্লর (১৯) বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার হোসনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে আমিনুল ইসলামের সঙ্গে শান্ত মোল্লার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আমিনুল ইসলাম হোসনাবাদ টেম্পু স্ট্যান্ডে পৌঁছালে তার উপর শান্তমোল্লার সহযোগীরা হামলা চালিয়ে পিটিয়ে আহত করে। আমিনুল ইসলাম ছুটে দৌঁড়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে সে ছুটে দৌঁড়ে ফোকাস বাংলার চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের বসত ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানে প্রতিপক্ষরা তার উপর হামলা চালায়।
 
ফোকাস বাংলা চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মো. কাওছার হোসেন (৪০) অভিযোগ করে বলেন, বিপদগ্রস্ত আমিনুল ইসলাম জীবন রক্ষায় দৌঁড়ে আমাদের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় যুবলীগ নেতা নাসির মোল্লার নেতৃত্বে ২০/২৫জন সন্ত্রাসী ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে আমিনুলকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতরভাবে জখম করেছে। আমাদের ঘরে আশ্রয় দেয়ার অপরাধে সন্ত্রাসীরা ঘরের জানালা দরজা ভাঙচুর ও মালামাল তছনছ করে। এক পর্যায়ে চলে যাওয়ার সময় টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামালসহ প্রায় চার লাখ টাকার মাল লুট করে নিয়ে গেছে। বাধা দিতে গেলে আমাকে, আমার চাচা তালেব সিকদার (৬০), চাচি তাসলিমা বেগমকে (৪০) মারধর করেছে। গুরুতরভাবে আহত আমিনুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও অবনতি ঘটলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
 
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি