ফোকাস বাংলার চেয়ারম্যানের গৌরনদীর বাড়িতে যুবলীগের হামলা, আহত-৪

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০১৮, ২৩:১৮

সংবাদ সংস্থা ফোকাস বাংলার চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের গৌরনদী উপজেলার হোসনাবাদ গ্রামের বাড়িতে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এক যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় আহত হয়েছেন ৪ জন। গুরুতরভাবে আহত এক কলেজ ছাত্রকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গৌরনদীর নিজাম উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেনির ছাত্র মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে বাবুগঞ্জের আগরপুর ডিগ্রী কলেজের ছাত্র শান্ত মোল্লা(১৯)র বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার হোসনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা চলাকালীন সময়ে আমিনুল ইসলামের সঙ্গে শান্ত মোল্লার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমিনুল ইসলাম হোসনাবাদ টেম্পু ষ্ট্যান্ডে পৌঁছলে তার ওপর হামলা চালায় শান্ত মোল্লা ও তার সহযোগীরা। এ সময় আমিনুল ইসলাম আত্মরক্ষার জন্য ফোকাস বাংলার চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের বসত ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানেও প্রতিপক্ষরা তার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতরভাবে আহত করে।

ফোকাস বাংলা চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মো. কাওছার হোসেন (৪০) জানান, আমিনুল ইসলাম জীবন রক্ষার্থে দৌড়ে আমাদের ঘরে ঢুকে দরোজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় যুবলীগ নেতা নাসির মোল্লার নেতৃত্বে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী ঘরের দরোজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আমিনুলকে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। আমাদের ঘরে আশ্রয় দেয়ার অপরাধে সন্ত্রাসীরা ঘরের জানালা দরোজা ভাংচুর ও মালামাল তছনছ করে। এক পর্যায়ে চলে যাওয়ার সময় নগদ টাকা, স্বর্নালংকার ও মূল্যবান মালামালসহ প্রায় চার লাখ টাকার মাল লুট করে নিয়ে গেছে। আমরা বাধা দিতে গেলে আমিসহ আমার চাচা তালেব সিকদার(৬০), চাচি তাসলিমা বেগম(৪০)কে মারধর করেছে।

গুরুতর আহত আমিনুল ইসলামকে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও তার অবস্থার অবনতি ঘটলে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। ক্ষতিগ্রস্তরা মামলা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ওসি জানান।