মুলারকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়ে প্রত্যাহার করেছিলেন ট্রাম্প

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৮, ০৯:০৪
 
মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের তদন্তে গঠিত মার্কিন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রধান রবার্ট মুলারকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের এক আইনজীবীর আপত্তির প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। তবে ট্রাম্প এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় রাশিয়ার এজেন্টরা ১২৯টি ইভেন্ট তৈরি করেছিল। খবর সিএনএন ও রয়টার্সের
 
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গত বছরের জুনে এফবিআইয়ের সাবেক প্রধান রবার্ট মুলারকে বরখাস্ত করতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি হোয়াইট হাউসের আইনজীবী ডন ম্যাকগানকে বিচার বিভাগকে এ সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে আইনজীবী ম্যাকগান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একমত না হওয়ায় নির্দেশ দেননি। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ম্যাকগান পরোক্ষভাবে পদত্যাগেরও হুমকি দিয়েছিলেন। গত বছরের মে মাসে এফবিআই প্রধান জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেছিলেন ট্রাম্প। রুশ তদন্ত বন্ধ না করায় কোমিকে বরখাস্ত করা হয় বলে মার্কিন সংবাদ জানিয়েছিল। এর কিছুদিন পর ওই মাসেই রবার্ট মুলারকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি স্পেশাল কাউন্সেলের প্রধান করা হয়।
 
বর্তমানে মুলার যেভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন তাতে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টি প্রমাণতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুলার ট্রাম্পের অনেক কাছাকাছি গিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। প্রেসিডেন্টের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যও তদন্ত কমিটিতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও সাক্ষ্য দিতে সম্মতি জানিয়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের ব্যাপারে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই ধরনের খবর সম্পূর্ণটাই ভুয়া। অন্যদিকে মার্কিন কংগ্রেসকে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে ফেসবুক জানায়, নির্বাচনের সময় রুশ এজেন্টরা ১২৯ ইভেন্ট সৃষ্টি করেছিল। ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩০০ অ্যাকাউন্টস থেকে এসব ইভেন্ট দেখা হয়।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর