আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নীতি-নৈতিকতার দিক থেকে তলানিতে পৌঁছেছে। আর ড. কামাল হোসেন ও কাদের সিদ্দিকীর মতো নেতা সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
গতকাল শনিবার বিকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত মিডিয়া কমিটির বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কক্সবাজার-৪ আসনে (টেকনাফ-উখিয়া) বদির জায়গায় তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরী এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আমানুর রহমান খান রানার জায়গায় তার বাবা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান খানকে এবার মনোনয়ন দেওয়া হবে। কৌশলগত কারণেই এ সিদ্ধান্ত। নইলে এ দুটি আসন হাত ছাড়া হওয়ার আশঙ্কা ছিল। শুধু তাই নয়, রানা-বদিকে মনোনয়ন দিলে আরো ৫০টি আসন আমরা হারাতে পারি। কারণ তাদের খারাপ ইমেজ তৈরি হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৯৬ সালে আমাদের একটি আসনের জন্য সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। সেদিন যদি জাতীয় পার্টির (জেপি) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আমাদের সমর্থন না দিতেন তাহলে আমরা সরকার গঠন করতে পারতাম না। আগামী নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে সেতুমন্ত্রী বলেন, যদি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় না আসতে পারে তাহলে দেশে লাশের পাহাড় তৈরি হবে। পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘দলীয় প্রীতি’র অভিযোগ তুলে তাদের প্রত্যাহারে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বিএনপির চিঠি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ব্রিলিয়ান্ট দেশপ্রেমিক অফিসারদের বিরুদ্ধে নানা আজগুবি-বানোয়াট মিথ্যাচার করছে বিএনপি। এটা তাদের ঘৃণ্য মতলব।
