জন্মদিনে উপহার ও কষ্ট, দু’টোই পেলেন মেন্ডিস

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:৫২
কুশল মেন্ডিস, শ্রীলংকার ডান-হাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। আজ তার ২৩তম জন্মবার্ষিকী। আর আজই বাংলাদেশের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন। জন্মবার্ষিকীর দিনে এমন অর্জন ক’জনের ভাগ্যেইবা জুটে। মেন্ডিসের ভাগ্যে জুটেছে। কিন্তু এমন দিনেও নিজের ইনিংস শেষে মন খারাপ ছিলো মেন্ডিসের। কারণ ক্যারিয়ারের চতুর্থ ইনিংসটা বড় করতে করতে ডাবল-সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলেও ডাবল-সেঞ্চুরির স্বাদ নেয়া হলো না তার। ব্যক্তিগত ১৯৬ রানে ফিরে যান মেন্ডিস। তাই আউট হয়ে মাত্র ৪ রানের ঘাটতি নিয়ে ভারাক্রান্ত মনে মাঠ ছাড়তে হলো মেন্ডিসকে। 
 
অবশ্য ডাবল-সেঞ্চুরির ভাগ্য বোধদয় মেন্ডিসের নেই। কারণ ২৩ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত চারটি সেঞ্চুরি করেছেন মেন্ডিস। এরমধ্যে তিনটিই ডাবল-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে বিদায় নিয়েছেন তিনি। ১৭৬, ১৯৪-এর পর আজ ১৯৬ রান। অন্য সেঞ্চুরির ইনিংসটি ছিলো ১১০ রানের। 
 
২০১৫ সালের অক্টোবরে কলম্বোতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় মেন্ডিসের। প্রথম টেস্টে ১৩ ও ৩৯ রানের দু’টি ইনিংস খেলেন তিনি। ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্টেই সেঞ্চুরির দেখা পান মেন্ডিস। পাল্লেকেলেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৬ রান করেন। ডাবল-সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। 
 
তবে ১৫তম টেস্টে ডাবল-সেঞ্চুরির আরও কাছে পৌঁছে যান মেন্ডিস। কিন্তু এবার ১৯৪ রানে থেমে যেতে হয় তাকে। গল-এ বাংলাদেশ বোলাররা তাকে প্রথম ডাবল-সেঞ্চুরির স্বাদ নিতে দেননি। ১৯তম টেস্টে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেও, সেটি থেমে যায় ১১০ রানে। 
 
মেন্ডিসের ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরিও এলো বাংলাদেশের বিপক্ষে। আবারো সেঞ্চুরিটিকে ডাবলে রুপ দেয়ার পথে হেটেছেন। দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে এবারও পারলেন না তিনি। নামের পাশে ১৯৬ রান রেখে বাংলাদেশের বাঁ-হতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের শিকার হন তিনি। তার ৩২৭ বলের ইনিংসে ২২টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। 
 
বাংলাদেশের বোলারদের কারণে দু’বার ডাবল-সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছেও থামতে হলো মেন্ডিসকে। তবে এবারের থামাটা একটু বেশিই কষ্টের। জন্মবার্ষিকীর দিনে পাওয়ার আনন্দ যত না বেশি, না পাবার কষ্টতো তার চেয়ে অনেক বেশি হবার কথা। বাসস।
 
ইত্তেফাক/ রেজা