প্রথমবার ফাইনালে আরামবাগ, দ্বিতীয় সেমিফাইনাল আজ

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৯:৩৭
স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের ফাইনালে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। দুর্দান্ত ফুটবল খেলে আরামবাগ ১-০ গোলে শেখ জামালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। খেলার ৯০ মিনিটে গোল করেন জুয়েল। আজ বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম আবাহনী ও রহমতগঞ্জের মধ্যে হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ। এই ম্যাচে বিজয়ী দলের সঙ্গে আগামী শনিবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে আরামবাগ। 
 
আরামবাগ স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে প্রথমবার ফাইনালে উঠলেও তারা ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছিল ১৯৯৭ এবং ২০১৬ সালে। ওয়ানডে ফুটবল টুর্নামেন্টে আরামবাগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০৩ সালে। এবার আরেকটি ফাইনালে জায়গা করে নিল দলটি।
 
শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের বিপেক্ষে আরো বড় ব্যবধানে জেতার সুযোগ ছিল কোচ মারুফুল হকের দল আরামবাগের। তাতে আঁফসোস নেই। জয় পেয়েছে ফাইনালে উঠেছে এটাই সবচেয়ে বড় কথা। কোচের কাছে বড় কথা না হলেও ফাইনালে ওঠা খেলোয়াড়দের কাছে অনেক বড় আনন্দের।
 
খেলা শেষে ছবি তুলতে গেলে ধমক ছুঁড়েছেন কোচ মারুফুল হক। ভ্রু কুঁচকে খেলোয়াড়দের বলেছেন, ‘এই তোমরা কি ফাইনালে উঠে গেছ নাকি? কোনো ছবি তোলা নয়। সবাই ড্রেসিং রুমে যাও।’ তার কথায় যুক্তি আছে। মারুফ মনে করেন যুদ্ধ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। অনেক দূর পথ বাকি রয়ে গেছে। ফাইনালে জিততে হবে। এমন ভাবনা কাজ করে কোচ মারুফের মনে। আর তাই তো ধমক খেয়েও খেলোয়াড়রা সগৌরবে মারুফের প্রশংসায় ভাসলেন। খেলোয়াড়দের কণ্ঠে উচ্চারিত হলো, ‘এমন কোচ পাওয়া কঠিন। লিগে কতো খারাপ খেলেছি আমরা। পারিনি। তারপরও মারুফ ভাই রাগ করেনি।’
 
কঠিন লড়াই করে মারুফের আরামবাগ স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছে। গ্রুপ পর্বে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব এবং চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপেক্ষে ড্র করেও কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল কম হলুদ কার্ড পাওয়ার সুবাদে। কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়ে আরামবাগ ৩-০ গোলে আবাহনীকে হারিয়ে হিসাব নিকাশ ওলট-পালট করে দেয়। সেমিফাইনালে উঠে আরেক জায়ন্ট শেখ জামালকেও হারিয়ে দিল আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। 
 
ইত্তেফাক/কেআই