অন্যায়ে জড়িত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে প্রতিবেদনে ডিএমপি কমিশনারের সাধুবাদ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যেসব সদস্য মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে লেখাকে আমরা সব সময় সাধুবাদ জানাই। তবে সেই লেখনী হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ। এমনটিই মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, কোনো নিউজ যেন রাষ্ট্রের হুমকি না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। গত শুক্রবার রাতে জাতীয় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটি-২০১৯-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ক্র্যাবের সভাপতি আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও সিটিটিসির প্রধান মনিরুল ইসলাম, স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিআইজি (পলিটিক্যাল) মাহবুবুল আলম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটিকে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা। সদ্য সাবেক কমিটিকেও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। বেস্ট রিপোর্টিংয়ের জন্য ৫ ক্যাটাগরিতে ৫ জনকে ক্র্যাব অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো ক্র্যাবের সিনিয়র সদস্যদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। সব শেষে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাংবাদিকদের রিপোর্ট পুলিশের অনেক বড় সোর্স। ফলে বর্তমানে সাংবাদিক পুলিশ অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, উগ্রবাদ প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে। তবে সাংবাদিকদের আরো সেন্সরশিপ থাকা উচিত। যে কোনো দুর্ঘটনায় নিউজ কভারেজের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে উদ্ধার কাজ ব্যাহত না হয়। এ সময় রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন এবং ২০১৪ সালের অগ্নি সন্ত্রাসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় দুর্যোগের সময় নিজের কারণে যেন অন্যের জীবন ঝুঁকিতে না পড়ে।
