রংপুর-ভেণ্ডাবাড়ি সড়কে খানাখন্দ

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ২২:২৯

বন্ধ হয়ে গেছে বাস চলাচল

মিঠাপুকুর (রংপুর) সংবাদদাতা

রংপুর নগরীর দর্শনা হয়ে মিঠাপুকুর উপজেলার উপর দিয়ে পীরগঞ্জ উপজেলার ভেণ্ডাবাড়ি পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কটির দৈর্ঘ্য ১৫ কিলোমিটার। প্রায় দুই যুুগ আগে পাকা করা হয়েছিল। এরপর থেকে আর সংস্কার না করায় সড়কের বিটুমিন (পিচ) উঠে গিয়ে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সব ধরনের যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। বেহালদশার কারণে সড়কে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বাস মালিক সমিতি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির ১০ কিলোমিটারে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

রাণীপুকুরের রিকশাভ্যান চালক রবিউল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সড়কটা আর ঠিক করা হয়নি। এই সড়কের কোনো বাপ-মা নেই।

গোপালপুর ইউনিয়নের বান্দেরপাড়া বাবুরহাট এলাকার চাষি মাহিদুল ইসলাম আউলিয়া, রবিউল ইসলাম, শাল্টিপাড়ার আবদুল মজিদ খন্দকার, মোকলেছার রহমান, বাদশা মিয়াও ক্ষোভ প্রকাশ করে একই কথা বলেন। তাদের সবার একটাই দাবি, সড়ক সংস্কারের।

শ্রমিক আবদুর জব্বার বলেন, সড়কের যে অবস্থা, তাতে গাড়ি আর চলে না। তাই বাধ্য হয়ে এই রুটে বাস বন্ধ করা হয়েছে।

এরশাদ মোড় এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী সাজু মিয়া, হাসান মাহমুদ, নাসিম, পথচারী আরিফুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, সড়কটি এখন আমাদের গলার কাঁটা হয়ে আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি সংস্কার না করা হলে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, রাণীপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাঙ্গা, ময়েনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, চেংমারী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল কবীর টুটুল ও গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম পাইকার দীলিপ বলেন, সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মিঠাপুকুর উপজেলা অংশের পাঁচ ইউনিয়নের যোগাযোগ রক্ষাকারী একমাত্র সড়ক এটি। শুধু সংস্কার নয়, আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, সড়কটি আরো প্রশস্ত করে সংস্কারের জন্য জেলা অফিস থেকে ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এখনো নিয়োগ হয়নি। আশা করছি, খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে।