ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও চীনের উদ্যোগে নীলফামারীর বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৮:০৭
জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থা (ইউএনডিপি), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ও বাংলাদেশে অবস্থিত চায়না দূতাবাস শনিবার নীলফামারীর বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করে, যার মধ্যে ছিল দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত জিনিষপত্র ও বাসা বাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য টিন। এসময় সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রাহিম উপস্থিত ছিলেন।
 
গত বছর বন্যায় ৩১ জেলার প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং ৮২ হাজার ঘরবাড়ির ক্ষতি সাধন হয়। এখনো সেখানকার জনসাধারণ বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। আর এই কারণে চায়না সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপির সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশে দুর্যোগে আক্রান্তদের জন্য ৪ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
 
এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় বন্যার্তদের পাশাপাশি, ইউএনএফপিএ এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা নারীদের জন্য তাদের জীবন রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সাহায্য প্রদান করা হচ্ছে । কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, বগুড়া এবং নীলফামারীর মোট ১৩ হাজার ৯১০টি বন্যা আক্রান্ত পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী দেয়া ছাড়াও কক্সবাজারে ১ লাখ ১৮ হাজার রোহিঙ্গা নারী জরুরি প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষার দ্রব্য সামগ্রী গ্রহণ করেছে |
 
নীলফামারীতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে বাংলাদেশে অবস্থিত চায়নার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কাউন্সিলর লি গুআংজুন বলেন, ‘চায়না বাংলাদেশের বন্যার্ত এবং এখানে অবস্থান নেয়া শরণার্থীদের পাশে আছে।’ তিনি ইউএনডিপির এই মানবিক সাহায্যের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং মনে করেন এই ত্রাণ সামগ্রী বন্যার্ত ও শরণার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে সাহায্য করবে। আসাদুজ্জামান নূর তার বক্তব্যে বলেন, ‘বন্যার্তদের জন্য ইউএনডিপি ও চায়নার এই যৌথ প্রচেষ্টা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগের সময় তারা পাশে থাকবে।’ এই প্রকল্পের আওতায় রোহিঙ্গা নারীদের সাহায্যের জন্য তিনি ইউএনএফপিএ এর প্রশংসা করেন।
 
ইত্তেফাক/সেতু