৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি অবমাননা করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে করেছে ছাত্রলীগ। রবিবার দুপুর বারোটায় মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভটি মিছিল বের করা হয়। পরে মিছিলটি অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে থেকে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে অবমাননাকারীদের দেশে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
চীনের দুঃখ যেমন হোয়াংহো নদী ঠিক তেমনি বাংলাদেশের দুঃখ জিয়া পরিবার উল্লেখ করে সমাবেশে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক জিয়া বিদেশে বসে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননা করিয়েছে, তার মানে বাংলাদেশকে অবমাননা করেছে। এদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননা করেছে। যাদের মাধ্যমে এসব ঘৃণিত কাজ সংগঠিত হয়েছে সেইসব কুলাঙ্গারদের অতিদ্রুত দেশে এনে কারাগারে পাঠাতে হবে।
সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করেছে তারা মূর্খের দল! তারা জানে না বঙ্গবন্ধু কে? বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যাকে নিয়ে ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন আমি হিমালয় দেখিনি কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। সেই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যেসব মূখর্রা অবমাননা করেছে, বাংলাদেশি হাইকমিশনে ভাঙচুর করেছে, তাদেরকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে খুঁজে বের করে, তাদের পাসপোর্ট বাতিল ও আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন বাংলার মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। যারা লন্ডনে বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননা করেছে তারা বাঙালি জাতির কলঙ্ক। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে তিনি অবিলম্বে দোষীদের দেশে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
IMG0
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স বলেন, বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের পাতায় পাতায় প্রতিটি মানুষকে ঋণী করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে তারেক রহমানের ইন্ধনে অবমাননা করা হয়েছে। তিনি তারেককে দেশে এনে তার দুর্নীতির রায় কার্যকর করার আহ্বান জানান।
এছাড়া ঢাক মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জগন্নাথ বিশ্বিবিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারী কলেজ ও সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ, মিরপুর বাংলা কলেজ ও তেজগাঁও কলেজে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচী পালিত হয়।
একই দবিতে দেশের প্রতিটি জেলা, মহানগর ও বিশ্বিবিদ্যালেেতও কর্মসূচী পালন করা হয়। দুইদিন ব্যাপি এই কর্মসূচির শেষ দিন আগামীকাল সোমবার দেশের প্রতিটি উপজেলা, থানা ও পৌর এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত হবে।
ইত্তেফাক/কেকে/রেজা
