শ্রীলঙ্কার দ্রুত তিন উইকেট ফেলে দিয়ে খেলায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। এর আগে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১০ ওভারে ১১৩ রান।
নাজমুল ইসলাম অপুর করা বল গুনাথিলাকা স্লগ সুইপ করতে গিয়ে মিস করেন। স্ট্যাম্পিংয়ের সুযোগ হাতছাড়া করেননি মুশফিকুর রহমান। ১৫ বলে ৩০ রান করেন গুনাথিলাকা। তার আউটে নাজমুল পান প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের স্বাদ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৮ ওভার শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ৯০ রান। দ্বিতীয় ব্রেকথ্রু এনে দেন অভিষিক্ত আফিফ হোসেন। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা কুশল মেন্ডিসকে ফেরান তিনি। আউট হওয়ার আগে তিনি ২৭ বলে ৫৩ রান করেন। এর পর নাজমুলের বলে মাত্র ৪ রান করে ফিরে যান থারাঙ্গা।
এর আগে বৃহস্পতিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। মুশফিকুর রহিম ও সৌম্য সরকারের অর্ধশতকে ভর করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৯৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। আগের সেরা ছিল ২০১২ সালে বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে করা ৫ উইকেটে ১৯০ রান। মুশফিকুর রহিম ৪৪ বলে ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার। তিনি মাত্র ৩০ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন। সৌম্য সরকার তার ইনিংসটি আর বড় করত পারেনি। দলীয় ১০০ রানে ব্যক্তিগত ৫১ রান করে মেন্ডিসের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। এর এক বল পরই ডিকওয়ালার হাতে ক্যাচ দিয়ে মেন্ডিসের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন অভিষিক্ত আরিফ হোসেন। এর আগে দলীয় ৪৯ রানে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন হয়। দানুষ্কার বলে বোল্ড হন অভিষিক্ত জাকির হাসান। আউট হওয়ার আগে তিনি ৯ বলে ১০ রান সংগ্রহ করেন।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের রানকে দ্রুত এগিয়ে নেন মুশফিকুর রহিম এবং অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সৌম্য সরকারের পর অর্ধশতক পূরণ করেন মুশফিকুর রহিম। তিনি ৩৭ বলে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন। অর্ধশতকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু তিনি উদানার বলে ধনঞ্জয়ার হাতে হাতে ধরা পড়েন। আউট হওয়ার আগে তিনি ৩১ বলে ৪৩ রান সংগ্রহ করেন। তার আউটের পর দ্রুত ফিরে যান সাব্বির রহমান। শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর রহিমের অপরাজিত ৬৬ রানের সুবাদে ১৯৩ রানের সংগ্রহ পায় টাইগাররা।
ইত্তেফাক/ইউবি
