লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৮:৩৪
লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাই কমিশনার নাজমুল কাওনাইন স্থানীয় কাউন্সিল টাওয়ার হেমলেটস এর মেয়র জন বিগসকে নিয়ে পূর্ব লন্ডনের আলতাফ আলী পার্কস্থ শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। হাই কমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির সর্বস্তরের সদস্যবৃন্দ এসময় ভাষা শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
 
দিনের শুরুতে হাই কমিশন ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন রাষ্ট্রদূত। সেন্ট্রাল লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী বেডেন পাওয়েল হাউজে দিবসটি স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ইউনেস্কো মহাপরিচালকের বাণী পাঠ করা হয়। আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কলামিস্ট, সাংবাদিক ও অমর একুশে ফেব্রুয়ারির ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি...’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘ভাষা আমাদেরকে একটি দেশ দিয়েছে। আজ সারা বিশ্বে বাংলা ভাষার ব্যবহার হচ্ছে। তিনি ভাষা আন্দোলনকালীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কারা অন্তরীণ সময়ের স্মৃতিচারণ করেন।’
 
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ অফিসের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের উপ-প্রধান, ইউকে ন্যাশনাল কমিশন ফর ইউনেস্কোর প্রতিনিধি আন্দ্রেয়া ব্লিক ও সাবেক এমপি স্যার এলান মিল। হাই কমিশনার ভাষা শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুসহ ভাষা সৈনিকদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি বলেন একুশ আমাদের শিক্ষা দেয় মাথা নত না করার। একুশ আমাদের অস্তিত্ব এবং আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে তিনি একুশ ও স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
 
ইত্তেফাক/সেতু