চুক্তিবদ্ধ ২০ ক্রিকেটার
প্যাট কামিন্স, ন্যাথান কোল্টার-নাইল, অ্যালেক্স , অ্যারন ফিঞ্চ, উসমান খাওয়াজা, পিটার হ্যান্ডসকম, মার্কাস হ্যারিস, ট্রাভিস হেড, জশ হেইজেলউড, ন্যাথান লায়ন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, শন মার্শ, টিম পেইন, জেমস প্যাটিনসন, জাই রিচার্ডসন, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিস, ডেভিড ওয়ার্নার, অ্যাডাম জ্যাম্পা।
স্পোর্টস রিপোর্টার
বিশ্বকাপের দল ঘোষণার দিনই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রদবদল এনেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। ২০১৯-২০ মৌসুমে সংস্থাটি চুক্তিতে রেখেছে ২০ ক্রিকেটারকে। অনুমিত ভাবেই চুক্তির কাঠামোতে ফিরেছেন স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার।
গত বছর মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে বল টেম্পারিংয়ে জড়ান ক্যামেরন ব্যাঙক্রফট। টেলিভিশন ক্যামেরায় সেই দৃশ্য স্পষ্ট ধরা পড়ে। যদিও, মূল পরিকল্পনায় ছিলেন তখনকার অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই ঘটনায় ক্রিকেট বিশ্ব নড়েচড়ে বসে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও (সিএ) ক্ষেপে যায়। এক বছরের জন্য সংস্থাটি নিষিদ্ধ করে স্মিথ ও ওয়ার্নারকে। ব্যাঙক্রফট নিষিদ্ধ হন ছয় মাসের জন্য। সবার শাস্তিই একটু বেশি হয়েছে বলে মত দিয়েছিলেন অনেক ক্রিকেট বোদ্ধাই। শাস্তির মেয়াদ কমে আসারও আভাস পাওয়া গিয়েছিল। যদিও, মন গলেনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার। শাস্তির পুরোটাই ভোগ করতে হয়েছে এই ক্রিকেটারদের। তবে, এসবই এখন অতীত।
ব্যাঙক্রফট আগেই ফিরেছেন। স্মিথ-ওয়ার্নার ফিরলেন এবার। বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও ফেরানো হয়েছে তাদের। তবে চুক্তিতে জায়গা পাননি বল টেম্পারিংয়ের আরেক নায়ক ব্যাঙক্রফট। জায়গা পাননি মিশেল মার্শও। টেস্টের সহ-অধিনায়কত্ব পাওয়ার পরই ফর্মে অধঃপতন হয় তার।
বড় চমক হলো চুক্তিতে ফিরেছেন জেমস প্যাটিনসন। বোঝাই যাচ্ছে, বিশ্বকাপের পরপরই হতে যাওয়া অ্যাশেজের জন্য ভালোভাবে বিবেচনায় থাকবেন ২৮ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার। চোট কাটিয়ে ফিরে শেফিল্ড শিল্ডে ৩ ম্যাচে ১৭ উইকেট পেয়েছেন তিনি। মজার ব্যাপার হল, শেষ টেস্টটা তিনি খেলেছেন তিন বছর আগে।
ছয় টেস্ট খেললেও বলার মতো কোনো পারফরম্যান্স নেই মার্কাস হ্যারিসের। যদিও, চুক্তিতে জায়গা পেতে কোনো সমস্যা হয়নি তার। তবে, ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরি করা কার্টিস প্যাটারসনের জায়গা হয়নি।
তবে চুক্তিতে ফিরেছেন বিশ্বকাপ দলে থাকা ন্যাথান কোল্টার-নাইল ও অ্যাডাম জ্যাম্পা। আগেরবারের চুক্তি থাকলেও এবার বাদ পড়েছেন ম্যাট র্যানশো, কেন রিচার্ডসন, বিলি স্টানলেক, অ্যান্ড্রু টাই, অ্যাশটন আগার। পিটার সিডল কিংবা মার্নাস লাবুশেনেরও জায়গা হয়নি।
