শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করেছে জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার বিকালে বর্ণিল শিশু মেলার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবাইকে স্বাগত জানান। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও কর্মজীবন সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালবাসতেন, শিশুরাও বঙ্গবন্ধুকে আপন করে নিতো। রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা ও মুক্তির দূত হিসেবে উল্লেখ করে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনে জাতির জনকের সাহসী নেতৃত্ব এবং প্রত্যয়ী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জীবন গড়ার ও পরবর্তীতে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
IMG0
পরে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে আগত সকল শিশুকিশোর ও ছোট সোনামনিরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রতিযোগিতা’ ছিল শিশু মেলার অন্যতম আয়োজন। দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু,বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের উপর ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করে। বর্ণিল সাজে শিশুরা অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তোলে। এরপরই শুরু হয় শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
টোকিও ও আশেপাশের অঞ্চল থেকে আগত প্রবাসী ও তাঁদের সন্তানদের উৎসাহ ও উদ্দীপনায় মুখোর ও প্রাণোচ্ছল হয়ে উঠেছিলো দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন। জাপানে বসবাসরত শিশু-কিশোরদের জন্য আয়োজনটি- ‘প্রাণের মেলা’ হয়ে উঠেছিল। সেখানে গভীর শ্রদ্ধা ও পরম মমতায় তারা স্মরণ করেছে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে, শিক্ষা নিয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ সম্পর্কে।
ইত্তেফাক/ইউবি
