জেনেভায় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০১৮, ১৮:০৭
যথাযোগ্য মর্যাদায় ও আনন্দমুখর পরিবেশে জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। জেনেভাস্থ জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।     
 
সন্ধ্যায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত কবিতা ও প্রবন্ধ পাঠ করে শোনান। সবশেষে এক বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, কর্মচারীগণ, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সুইজারল্যান্ডে বসবাসরত শিশু-কিশোররা এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।       
 
রাষ্ট্রদূত আহসান তার বক্তব্যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথ পরিক্রমায় সংঘটিত বিভিন্ন রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষণ নেতৃত্বের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। স্বাধীনতার রূপকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নের পথে তার জন্মদিনে উপহার হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ার জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক স্বীকৃতির বিষয়টি তিনি আনন্দের সঙ্গে তুলে ধরেন। 
 
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আজকের এই বিশেষ দিনে এটি আমাদের জন্য এক সুসংবাদ। জাতির জনকের স্বপ্নের সোপান বেয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে সাহসী এবং অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করার মধ্য দিয়েই সূচিত হয়েছে এই অনন্য অর্জন।’ তিনি বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত দেশ গড়ে তুলতে সকলকে তাদের প্রয়াস অব্যাহত রাখতে বলেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে তাদের সন্তানদের জাতির জনকের মহান আদর্শে গড়ে তোলার আহবান জানান। দিবসটি উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য এক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রদূত আহসান প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। 
 
ইত্তেফাক/সেতু