দুর্যোগে মানবিক সাড়া প্রদানে সক্ষমতার স্থানীয়করণ দরকার

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৮, ১৭:৪৯
দুর্যোগ অথবা জরুরি অবস্থায় মানবিক সাড়া প্রদান নিশ্চিত করতে সক্ষমতার স্থানীয়করণ দরকার। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানস্থ স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারের কিং হলে শিফটিং দ্যা পাওয়ার প্রকল্পের ‘ন্যাশনাল লেসন্স লার্নিং অ্যান্ড শেয়ারিং’ শীর্ষক কনফারেন্সে বক্তারা একথা বলেন।
 
বক্তারা বলেন, দুর্যোগে আক্রান্ত হওয়ার পর সর্বপ্রথম সাড়া আসে স্থানীয় পর্যায় থেকে। কেননা স্থানীয় মানুষের ভাষা ও চলনের সাথে তারা অভ্যস্ত। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবিক সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয় সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবেলার সফলতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
 
তারা আরো বলেন, শিফটিং দ্যা পাওয়ারকে সক্ষমতার স্থানান্তর পরিবর্তে স্থানীয় প্রতিনিধিদের দায়িত্ব গ্রহণ হিসেবে ব্যবহার করা দরকার। কনফারেন্সে আলোচনার মাধ্যমে বক্তারা ভবিষ্যতে দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয়করণে জড়িত সংস্থাগুলোর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
 
শিফটিং দ্যা পাওয়ার প্রকল্পটি ইতোমধ্যে ন্যাশনাল এলায়েন্স অব হিউম্যানেটারিয়ান এক্টরস (নাহাব) নামের একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যেখানে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ৪৪টির বেশি সংস্থা একসাথে কাজ করছে এবং দুর্যোগকালীন সময়ে সামগ্রিকভাবে মানবিক সাড়া প্রদানে কর্মরত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সক্ষম করে তুলছে।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতি: সচিব) মো. রিয়াজ আহমেদ। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সত্যব্রত সাহা।
 
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্রিস্টিয়ান এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর সাকিব নবী, এডিডি ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম, এ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, ডিএফআইডির হিউম্যানেটারিয়ানের এ্যাডভাইজার ওমর ফারুখ এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক ড. এম এহ্ছানুর রহমান।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি