জাতিসংঘে বাংলাদেশি ডা. জাকিয়া জাহান

'সার্বিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নারীর ক্ষমতায়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ'

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৮, ১১:৪৭
নারীর স্বাস্থ্য এবং সন্তান ধারণক্ষমতা সম্পর্কে উপলব্ধি না করে নারী-পুরুষ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়। প্রজনন স্বাস্থ্যসহ নারীর সার্বিক স্বাস্থ্য সচেতনতা তাদের ক্ষমতায়নের ব্যাপারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের কমিশন অব দ্য স্ট্যাটাস অব উইমেন-এর ৬২তম অধিবেশনের সাইড ইভেন্টে বাংলাদেশি আমেরিকান ডা. জাকিয়া জাহান এই মন্তব্য করেন। তিনি বাংলাদেশি আমেরিকানদের পক্ষে ফেম-এর প্রতিনিধি হিসেবে ওই ইভেন্টে বক্তব্য দেন।
 
জাতিসংঘের এই অধিবেশনটি শুরু হয়েছে গত ১২ মার্চ এবং তা শেষ হবে স্থানীয় সময় শুক্রবার। অধিবেশনে ডা. জাকিয়া জাহান বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করে বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তত্ত্বাবধানে এমডিজি ও নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম সম্প্রতি দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরপর দ্বিতীয়বারের মত জেন্ডার ইকুয়ালিটি’তে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
 
তিনি বলেন, দ্য ফোরাম জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স-২০১৭ সালে বাংলাদেশ চারটি প্রধান ক্ষেত্রসমূহ শিক্ষা, অর্থনীতিক অংশগ্রহণ, স্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ সরকার কিশোর স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উভয়েই অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
 
ডা. জাকিয়া জাহান ফেম-এর শিক্ষা নিয়ে আলোচনায় বলেন, ফেম শিক্ষা বিজ্ঞান ও প্রমাণভিত্তিক এবং পাশাপাশি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক আদর্শের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। তিনি বলেন, ফেম পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী এবং আকর্ষণীয়। কারণ এটি কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া জন্মনিরোধ পদ্ধতি ও শিক্ষা প্রদান করে এবং নারীদের সুস্থ স্বাস্থ্য ও পরিবার গঠন করতে সাহায্য করে।
 
জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক বার্নারডিতো আঝুয়া মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া আরো বক্তব্য দেন ফেম ফাউন্ডেশনের সিইও এ্যানা হ্যাল্পাইন, ডা. ডন বৌর্চাড, ডা. মার্টিনা প্রমুখ।
 
ইত্তেফাক/এসএস