নেদারল্যান্ডে গণহত্যা দিবস পালিত

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৮, ২১:২৮
নেদারল্যান্ডের দ্য হেগস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, তাঁদের পরিবার এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে গণহত্যা দিবস পালন করেছে।
 
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী মিলিটারী কর্তৃক সংগঠিত নারকীয় হত্যাযজ্ঞের সকল শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অতঃপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী উপস্থিত শ্রোতাদের সম্মুখে পাঠ করে শোনানো হয়।
 
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় নেদারল্যান্ড আওয়ামী-লীগের নেতা সর্বজনাব আলাউদ্দিন মোল্লা, জয়নাল আবেদীন এবং মোস্তফা জামান পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে ইহুদীদের উপর সংগঠিত গণহত্যা অথবা রুয়ান্ডা কিংবা কম্বোডিয়ার গণহত্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। 
 
নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং পাকিস্তানী বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’কে নিরস্ত্র বাংলাদেশীদের তাঁদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনের বিরুদ্ধে বর্বরতম সামরিক অপারেশন বলে অভিহিত করেন।
 
পাকিস্তানী শোষন, নিপীড়ন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণায় পাকিস্তানী বাহিনী ইতিহাসের এই বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী বাহিনী পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করেছিল, কোন গ্রাম শহর তাদের নিষ্ঠুরতা থেকে রক্ষা পায়নি। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে তারা সকলকে হত্যা করেছে। নিষ্ঠুরভাবে তারা হত্যা করেছে বুদ্ধিজীবীদের।
 
ইত্তেফাক/কেআই