কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) সংবাদদাতা
এক সময় বাংলার ঝোঁপঝাড়ে এবং গাছের ডালে ডালে বিভিন্ন ধরনের পাখ-পাখালী দেখা যেত। সকালে এবং বিকালে পাখির কিচিরমিচির শব্দ সবাইকে আকৃষ্ট করতো। ভর দুপুরে ঘুঘু পাখির ডাক শুনা যেতো। কিন্তু এখন পাখপাখালীর দেখা পাওয়া কঠিন। আমাদের চারপাশ থেকে অনেক ধরনের পাখি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পাখি শিকারীদের দৌরাত্ম্য এবং বন-জঙ্গল ও ঝোঁপঝাড় কমে যাওয়ায় আমাদের পরিবেশ থেকে পাখির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছে। তবে পাখ পাখালীর এই সংকটকালীন সময়েও গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার একটি মাঠে এক জোড়া ঘুঘু পাখির দেখা পাওয়া যায়। নীরব নির্জন মাঠে বিচরণ করে ঘুঘু দুটি ঘাস অথবা পোকামাকড় কুটে কুটে খাচ্ছিল। ঘুঘুর বিচরণ পথচারীদের আকৃষ্ট করে।
প্রকৃতিবিদ এবং ওয়াগ্গাছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুর রশীদ কাদেরী বলেন, পরিবেশ ও প্রকৃতি সুরক্ষিত রাখতে হলে পাখ পাখালী এবং জীব জন্তুর বিশেষ প্রয়োজন আছে। আমাদের অবহেলায় এবং নিষ্ঠুরতায় আমরা প্রকৃতির অনেক ক্ষতি করেছি। আমাদের কারণেই ঘুঘুসহ অনেক পশু-পাখি বিলুপ্ত হতে বসেছে। এখনো যেগুলো অবশিষ্ট আছে সেগুলোকে রক্ষা করার প্রতি তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। আমিনুর রশীদ কাদেরী বলেন, একজোড়া ঘুঘু মাঠে বিচরণ করার দৃশ্য দারুণ উপভোগ্য ব্যাপার।
