যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশের ৪৮তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে ইসলামাবাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি অভিজাত পাঁচ তারকা হোটেলে এক সংবর্ধনার আয়োজন করে। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান ও তার পত্মী দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।
অনুষ্ঠানে ইসলামাবাদের মেয়র, পাঞ্জাব প্রদেশের খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, সিনেট ও জাতীয় সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সপরিবারে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
IMG0
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। এরপর, হাইকমিশনার মেয়র, মন্ত্রী এবং সার্কভূক্ত দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণকে সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কেক কাটেন।
অনুষ্ঠান চলাকালে একটি বর্ণাঢ্য নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশাত্মবোধক গানের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি শাড়ী পরিহিত নারীদের পরিবেশিত নৃত্য অতিথিদের বিমোহিত করে। সংবর্ধনাস্থলে নানা বর্ণের ফুল ও লাল-সবুজ আলো দিয়ে আকর্ষণীয়ভাবে সজ্জিত করা হয়। এছাড়া, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন সংবলিত বিশাল ব্যানার অনুষ্ঠানস্থলের শোভা বর্ধণ করে। জাতির পিতা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও টানানো হয়। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও আকর্ষণীয় পর্যটনস্থানের উপর ভিত্তি করে নির্মিত ভিডিওচিত্র দুটি পর্দায় প্রায় সারাক্ষণ প্রদর্শিত হতে থাকে। এ ছাড়া অনুষ্ঠান চলাকালে দেশাত্মবোধক গান বাজানো হয়।
IMG1
এর আগে, ২৬ মার্চ সকালে চ্যানসারি প্রাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার তারিক আহসান। এর পরপরই, সমবেতকণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি
