গ্লোবাল ও এশিয়ান শিপার্স অ্যালায়েন্সের সভায় শিপার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের যোগদান

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০১৮, ২০:২৩
গত ২৫ থেকে ২৭ মার্চ গ্লোবাল শিপার্স অ্যালায়েন্সে (জিএসএ) এবং এশিয়ান শিপার্স অ্যালায়েন্স (এএসএ)-এর সভায় হংকং ও ম্যাকাওয়ে অনুষ্ঠিত হয়। হংকং শিপার্স কাউন্সিল ও ম্যাকাও শিপার্স এসোসিয়েশন এই সভার আয়োজন করে।
 
শিপার্স কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ (এসসিবি)-এর চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে ২ (দুই) সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উক্ত সভায় যোগদান করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্য হচ্ছেন কাউন্সিলের পরিচালক আরজু রহমান ভূঁইয়া। সভায় মেরিটাইম ইস্যু ও বাণিজ্য সুবিধা ও পরিকল্পনা-২০১৮, অবকাঠামোগত নতুন প্রযুক্তি অন্বেষণ, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান রক্ষণশীলতা ও বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে হুমকির সম্ভাবনার বিষয়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা করা হয়।
 
যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ’র মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব কমানোর প্রচেষ্টা নেয়ার জন্য ইইউ ট্রেড কমিশনারকে আহবান জানানো হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষতিসাধনের টুলস যেমন উচ্চহারে করারোপ, কোটা বা নন-টারিফ ব্যবস্থাসমূহের নেতিবাচক প্রভাবের উপরও আলোচনা করা হয়।
 
এসসিবি’র চেয়ারম্যান ও এশিয়ার শিপার্স অ্যালায়েন্স এর ভাইস চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সম্প্রতি বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ বন্দর সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি অতি জরুরি। সে প্রেক্ষাপটে ২৪ মার্চ শিপার্স কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে বন্দরের সমস্যা ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয় বলে তিনি অবহিত করেন। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বন্দর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। 
 
উক্ত অনুষ্ঠানে হংকং শিপার্স কাউন্সিল, ম্যাকাও শিপার্স এসোসিয়েশন, থাই ন্যাশনাল শিপার্স কাউন্সিল, ইউরোপিয়ান শিপার্স কাউন্সিল, মালয়শিয়া ন্যাশনাল শিপার্স কাউন্সিল, শ্রীলঙ্কা শিপার্স কাউন্সিল এবং ইন্দোনেশিয়া ন্যাশনাল শিপার্স কাউন্সিল এর প্রতিনিধিবৃন্দও যোগদান করেন।
 
ইত্তেফাক/কেআই