চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটে গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার বাজালিয়া বাস স্টেশন এলাকায়। এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা।
স্থানীয় ও দোকান মালিক সূত্রে জানা যায়, রাত গভীর হওয়ায় বাস স্টেশন সংলগ্ন সকল মার্কেট ও দোকানদাররা নিজ নিজ দোকান বন্ধের কাজে ব্যস্ত থাকার ফাঁকে হঠাৎ আগুন দেখতে পায়। মুহূর্তে মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা প্রথমে বাঁশের বেড়ার দোকানগুলো পুড়ে যায়। পরবর্তীতে পাশের পাকা মার্কেটের দোকানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা হলেন, নুরুল আমিন, মো. হারুন চৌধুরী, খলিুলুর রহমান, আবদুল জলিল, মো. ফারুক হোসেন ও মাহবুবুল আলম চৌধুরী। নুরুল আমিনের মুরগীর দোকান ও সুপারির আড়ত, মো. হারুন চৌধুরীর সিগারেটের গোডাউন, মো. ফারুক হোসেনের মুরগীর দোকান ও ১টি ফলের দোকান, আবদুল জলিলের মুদির দোকান, খলিলুর রহমানের ক্রোকারিজের দোকান এবং মাহবুবুল আলম চৌধুরীর ঔষধের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ৮ দোকানের মালামালসহ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লক্ষ্য টাকার মত ধারনা করছেন ব্যবসায়ীরা।
সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. ইদ্রিস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি যাতে আশ পাশের অন্য মার্কেটগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির পরিমান এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
বাজালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দত্ত অগ্নিকাণ্ডের কথা ইত্তেফাককে স্বীকার করে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সঠিকভাবে বলতে পারছি না। তবে ধারণা করছেন বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডটি হতে পারে।
ইত্তেফাক/এসএস
