বিজিএমইএ ভবন সিলগালা

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ২২:৩১

রাজধানীর হাতিরঝিলের বহুল আলোচিত বিজিএমইএর অবৈধ ভবনটি ভাঙতে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গত ১২ এপ্রিল ছিল ভবনটি ছাড়ার শেষ সময়। আলোচ্য সময়ের পর গত শনি ও রবিবার বেশকিছু মালামাল উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে নেওয়া হয়। তবে গতকাল পর্যন্ত সেখানে এক্সিম ব্যাংকসহ আরো পাঁচটি অফিসের সব মালামাল সরানো সম্ভব হয়নি। সকাল থেকে চার দফায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়। এর পর ভবনটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে গতকাল হাতিরঝিল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রায়হানুল ফেরদৌস ভবনের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, প্রথমে পরিষেবার সংযোগ (গ্যাস, বিদ্যুত্ ও পানির সংযোগ) অপসারণের কাজ শুরু করেছি। এরপর ভবন ভাঙার কাজ শুরু হবে।

হাতিরঝিল প্রকল্প দেখভালের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর সহায়তায় চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে ভবনটি ভাঙতে। ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, ভবন ভাঙার ক্ষেত্রে এটিই হবে বাংলাদেশে প্রথম ডিনামাইটের ব্যবহার। এতে অপেক্ষাকৃত স্বল্প সময়ে ভবনটি ভাঙা সম্ভব হবে। তবে এতে কী পরিমাণ খরচ হবে তা, নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভবনটি অবৈধ হিসেবে আদালত রায় দেওয়ার পরও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েক বছর সময় লেগেছে। সর্বশেষ আপিলেও হারার পর ভবনটিতে থাকতে এক বছরের সময় চায় বিজিএমইএ। এক বছর সময় দেওয়ার পর আর সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হবে না বলে বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে অঙ্গীকারনাম (মুচলেকা) দেওয়া হয়। সংগঠনটির নির্বাচনে রুবানা হকের নেতৃত্বে নতুন পর্ষদ গঠন হলেও দায়িত্ব নেবে ২০ এপ্রিল। অর্থাত্ এখনো সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বিদায়ী সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। গত সোমবার থেকে উত্তরার নির্মানাধীন ভবনটিতে কার্যক্রম শুরু করেছেন বর্তমান সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।