নিরাপত্তা ছেড়ে উন্নয়ন ইস্যুতে জোর বিজেপির

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ২২:৪৬

লোকসভার নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে জাতীয় নিরাপত্তাকে মূল ইস্যু করেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি); কিন্তু নির্বাচনের মাঝপথে এসে এই ইস্যু থেকে সরে উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল। ভারতের সংবাদমাধ্যম এন

ডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, প্রথমদিকে জাতীয় নিরাপত্তায় জোর দিলেও বিজেপি এখন তাদের আগের উন্নয়ন ইস্যুতে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গত ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই ভোট পরবর্তী তথ্যের ভিত্তিতে বিজেপি তাদের অবস্থানে পরিবর্তন এনেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২০১৪ সালের নির্বাচনে উন্নয়ন ছিল বিজেপির সবচেয়ে বড়ো প্রতিশ্রুতি। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে বড়ো জয় পেয়েছিল দলটি। সূত্র বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয়তাবাদ ইস্যুতে বিজেপির ভালো করা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ৫ কোটি পরিবারকে বার্ষিক ৭২ হাজার রুপি করে দেওয়ার বিষয়ে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতির বিপরীতে তাদের পাল্টা বড়ো প্রতিশ্রুতির বিষয়টি  গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে। এদিকে দক্ষিণ ভারতের রাজ্য তামিল নাড়ুতে ভালো অবস্থানে রয়েছে জাতীয় কংগ্রেস। আগামীকাল দ্বিতীয় ধাপে রাজ্যের ৩৯ আসনের সব কটিতেই ভোট গ্রহণ হবে। এবার তামিল নাড়ুতে কোনো একক ইস্যু নেই। জাতীয় ও আঞ্চলিক ইস্যু প্রভাবিত করছে নির্বাচনকে।

তামিল নাড়ুতে ৮৪৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবার আঞ্চলিক দল ডিএমকের সঙ্গে জোট করে তামিল নাড়ুতে ভালো করার পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস। ভারতের পরবর্তী সরকার গঠনে তামিল নাড়ু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডিএমকের মুখপাত্র টি কে এস এলাগোভান বলেন, এবারের নির্বাচনের বড়ো ইস্যু হলো বেকারত্ব, উচ্চ দ্রব্যমূল্য। প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ইত্তেফাককে রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, এবারের নির্বাচন হবে ডিএমকে বনাম বিজেপি। ডিএমকে কয়েক দশক ধরে তামিল নাড়ুর রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে। বিজেপিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল এআইএডিএমকে এখন লড়াই থেকে পিছিয়ে পড়েছে; কিন্তু বিজেপি অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা বা কেরালার মতো প্রভাবশালী নয় তামিল নাড়ুতে। ফলে ডিএমকের সঙ্গে জোট করে অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস।