নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের মামরকপুর গ্রামে গত সোমবার রাতে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ ১০ জন জখম হয়েছেন। এসময় বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। আহতদের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের মামরকপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে একই গ্রামের তোফাজ্জলের সরকারি লিজকৃত একটি জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ জমি নিয়ে একাধিকবার বিচার সালিশ হয়েছে। সোমবার রাতে সাত্তার ও তোফাজ্জলের মধ্যে এ জমি নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তোফাজ্জলের নেতৃত্বে সানাউল্লা, বাসেদ, জানে আলম, ইব্রাহিম, ইয়াকুব, খোরশেদ আলম, কাদির, জুয়েল, শাকিলা, শাহিনাসহ ২০-২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সাত্তারের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় বাড়িঘর ভাঙচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুট হয়।
আহত আব্দুস সাত্তার জানান, তোফাজ্জল হোসেন কাগজপত্র ছাড়াই আমাদের লিজকৃত জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। এ নিয়ে তর্কবিতর্কের জেরে তার পালিত সন্ত্রাসী সানাউল্লাহসহ তার লোকজন আমাদের কুপিয়ে আহত করেছে। তোফাজ্জল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিরোধকৃত জমি আমাদের দখলে রয়েছে। আমরা এ জমির মালিক। এ জমি সাত্তার ও তার লোকজন দখলে নেওয়ার জন্য আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।
