ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শামীম, সেক্রেটারি মানিক

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:০৯
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আকরাম হোসেন শামীমকে সংগঠনটির উপজেলা সভাপতি এবং ভেড়ামারা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক মানিক মিয়াকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সম্মেলন দ্বিতীয় অধিবেশনে সোমবার রাতে এই নাম ঘোষণা করা হয়। 
এছাড়াও কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আহাদুজ্জামান রানা, আমজাদ হোসেন, আনোয়ার হোসেন গামা, বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন এবং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আব্দুল আজিজ, অ্যাড. মারুফ বিল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সোহানুর রহমান সোহাগের নাম ঘোষণা করা হয়। 
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আকরাম হোসেন শামীম। প্রধান অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ। সম্মানিত অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হক আসাদ। 
 
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আজগর আলী, সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারমান হাজী রবিউল ইসলাম, ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব শামিমুল ইসলাম ছানা, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি’র শিক্ষা প্রশিক্ষন ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদকমিজানুল ইসলাম মিজু, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কায়ছার আহমেদ, কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম স্বপন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক আহাদুজ্জামান রানা, আমজাদ হোসেন, সোহেল রানা পবন ও আনোয়ার হোসেন গামা। 
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যুবলীগকে ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। যুবলীগ ইতিপূর্বে অন্যায় এর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আগামীতে যুবলীগ অন্যায় বিরুদ্ধে লড়াই করবে। বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এ জীবনে আর ক্ষমতায় যাওয়া হবে না। তিনি এবং তার দল দুর্নীতিগ্রস্থ। তার শাসনামলে দেশ ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছিল। দেশের জনগণ তাদের কে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এতিমের টাকা আর্ত্মসাৎ এর অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা হয় তত্ত্ববধায়ক সরকারের শাসনামলে। ১০ বছর মামলাটি আদালতে বিচারাধীন ছিল। সাক্ষ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে খালেদা জিয়ার ৫ বছরের জেল হয়েছে। এ রায়ে আওয়ামী লীগের কোন হাত ছিল না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াও একজন দুর্নীতিবাজ। তার বিরুদ্ধেও দেশী-বিদেশি অনেক আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। তিনি হাওয়া ভবনে বসে দেশের সম্পদ লুট করেছেন। তার বিরুদ্ধেও হুলিয়া জারি রয়েছে। 
 
ইত্তেফাক/কেআই