টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড-ভন্ড হয়ে ঘর-বাড়ি বিধ্বস্তসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। গত দুই দিন ধরে বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ রবিবার মির্জাপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম ছিল অন্ধকারে। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সংযোগ হবে তা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষও সঠিক ভাবে বলতে পারছেন না।
আজ রবিবার উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কালবৈশাখী ঝড়ের ক্ষয়-ক্ষতির চিত্র। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন অভিযোগ করেন, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার দিক থেকে কালবৈশাখী ঝড় ও প্রচুর বৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে ঘরবাড়ি, গাছ-পালা ও ফসলি জমি।
উপজেলার তরফপুর, গোড়াই, আজগানা, তরফপুর, বাঁশতৈল, লতিফপুর, পৌরসভা, বহুরিয়া, ভাওড়া, ভাদগ্রাম, ওয়ার্শি, বানাইল, আনাইতারা, জামুর্কি, মহেড়া ও ফতেপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। সব চেয়ে বেশী ক্ষতি হয়েছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার। ঝড়ের কবলে পড়ে বিদ্যুতের খঁটি উপড়ে গেছে। বিদ্যুৎ লাইনের ওপর গাছপালা পড়ে অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার(ডিজিএম) মো. মোর্শেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ অধিকাংশ এলাকায় বিচ্ছন্ন রয়েছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানের জন্য বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিন-রাত কাজ করে চলেছেন। দুই-এক দিনের মধ্যে পুরোপুরি বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
