রাজশাহীর তানোরে বজ্রপাতে চারজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও দুইজন। বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পৃথক স্থানে এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ বাতাসপুর গ্রামের জমির মাঠে ধান কাটতে গিয়ে বাতাসপুর গ্রামের ডোকমান আলীর পুত্র আনছার আলী (৩০) বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় আহত হয়েছেন বাতাসপুর গ্রামের অনিল শাহার ছেলে আনন্দ সাহা (৩৫) ও হিরেন শাহার ছেলে টিল শাহা (৩০)।
কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দীন বলেন, নিহত আনছার আলীর পরিবার খুব গরীব। তার পরিবার এখন অসহায় হয়ে পড়লো! আহতরা বিপদমুক্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের দুবইল নামোপাড়া গ্রামের সামসুদ্দীনের ছেলে সোহাগ আলী (১৮) সকালে জমিতে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।
পাচন্দর ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, নিহত সোহাগও গরীব ঘরের সন্তান।
অন্যদিকে কলমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না জানান, কলমা ইউনিয়নের চকরতিরাম আদিবাসী গ্রামের বেলাম হেমরমের স্ত্রী এলেনা মুরমু (৩৫) জমিতে বোরো ধান কাটতে গিয়ে সকালে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।
তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শওকাত আলী বলেন, উপজেলার দুই ইউনিয়নে বজ্রপাতে তিনজন মারা গেছেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে নগদ ২০ হাজার করে টাকা ও ৩০ কেজি করে চাল সরকারীভাবে দেওয়া হবে। বুধবার নিহতদের পরিবারের সমস্যদের নগদ ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বাকি টাকা ও চাল দেয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
