বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিতীয় বৈঠক গত মঙ্গলবার বিকালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ১৯ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং চীনের পক্ষে ১৪ সদস্যে নেতৃত্ব দেন চীনের স্টেট কাউন্সিলর এবং জননিরাপত্তা মন্ত্রী ঝাউ কেসি।
আলোচনা সভার শুরুতে চীনের স্টেট কাউন্সিলর এবং জননিরাপত্তা মন্ত্রী গত ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর তার বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত্ দানের জন্য তিনি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১ বছরে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭৫ জন কর্মকর্তাকে সন্ত্রাস দমন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভূমিতে যে কোনো দেশের সন্ত্রাস এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদেশি গ্রুপ কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চীনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দুই দেশের মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এবং বেইজিং মিউনিসিপাল পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
সভায় ১৯ সদস্যের বাংলাদেশ দলের অন্যরা হলেন—স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম ফজলুল করিম, আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব শহিদুজ্জামান, বিজিবির ডিজি মেজর জেনারেল সাফিনুন ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু বক্কর সিদ্দিক, ফায়ার সার্ভিসের ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসেন, জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. হারুন-অর-রশিদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু গতকাল এ সব তথ্য জানান।
