কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে দেখা দিয়েছে তর্কা রোগ। গত তিন সপ্তাহে অর্ধ শতাধিক গবাদি পশু মারা গেছে। এতে গরুর মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ উপজেলা পশুসম্পদ কার্যালয়ে এ রোগের প্রতিষেধক নেই।
এলাকাবাসী ও মালিকরা জানান, তিন সপ্তাহ আগে নিকলীর সদর ইউনিয়ন ও দামপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তর্কা রোগ দেখা দেয়। গত এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ১১ মে পর্যন্ত দুইটি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ শতাধিক গরু মারা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিযোগ করেন, উপজেলা পশুসম্পদ কার্যালয়ে এ রোগের প্রতিষেধক নেই। তাদের কাছে গেলে ওষুধ লিখে দিয়ে বলে, বাইরে থেকে কিনে নেন। তাছাড়া পশু হাসপাতালের কোনো চিকিৎসক টাকা ছাড়া ঘটনাস্থলে আসতে চান না।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মারা যাওয়া পশুর লক্ষণ শুনে তর্কা রোগে গরুগুলোর মৃত্যুর কারণ বলে জানান। তিনি আরো জানান, গবাদি পশুর জন্যে তর্কা একটি ভয়াবহ রোগ। ৬০-৭০ বছর পর্যন্ত এ রোগের জীবানু বেঁচে থাকে। ৭-৮ ফুট মাটি গর্ত করে মৃত পশুদের পুঁতে রাখতে তিনি খামারিদের পরামর্শ দেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি
