সে এক অন্যরকম সে
হয়তো কোনো বঙ্গ-অ্যালিয়েন
রঙ ছড়াচ্ছে পশ্চিমে বদ্বিপীয় আবিরে।
কৃষ্ণপক্ষে সে ছিল সাথে, কিত্তনখোলা’র পাড়ে
দিন রজনী ছিল ফকফকা, ফুলেল;
শুক্লপক্ষে নেই সে সাথে
সব যেন ফাঁপর, ফ্যাকাসে।
ফিরিবে আবার সে
এই তটে নব ঝুনঝুনি হাতে
কুসুমিত কদম কোলে,
কনকচাঁপা ও কনকচূড়া’র কোরাসিত ক্ষণে।
তখন ফটিকজলে কিত্তনখোলা কীর্তন গাইবে
আজানের আকর্ষণে বিশ্বাসী ছুটিবে দরদি সৃজক পানে;
তীরে হাঁটবে আনন্দিত বনলতা, কবি থাকবে পাশে
সেঁজুতি জ্বলবে সেঁওতি বাগে
নারিকেল ডগা দোলবে রাবীন্দ্রিক ঝিলিকে,
পরিযায়ী আর শালিকের ধ্রুপদী মহড়া আকাশে।
