ধর্ষণের পর হত্যা

বগুড়ায় ১১ আসামির বিরুদ্ধে তিন বছর পর চার্জ গঠন

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ২২:২৩

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ক্লিনিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মী বিউটি বেগমকে (৩০) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় ১১ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার তিন বছর পর বুধবার চার্জ গঠন হয়েছে। বগুড়ার প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক একেএম ফজলুল হক শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় এ চার্জ গঠন করেন। প্রভাবশালী আসামিদের তদবিরের কারণে চার্জ গঠনে বিলম্ব হয় বলে জানান আইনজীবীরা। এছাড়া ওয়ারেন্ট থাকলেও পুলিশ গত ৪ বছরে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো—বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা কৈডালা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আবদুল কুদ্দুস, তার ছেলে উজ্জ্বল হোসেন, আফসার আলীর ছেলে রায়হান ফকির, আবদুর রহমানের ছেলে ইউনুস আলী, নিজাম উদ্দিন দুলুর ছেলে আসলাম ফকির, রমেশ উদ্দিনের ছেলে বাচ্চু মিয়া ও মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে হাবিবুর রহমান রনি এবং রণবাঘা গ্রামের রবিউল্লাহর ছেলে মুকুল হোসেন, নাইম উদ্দিনের ছেলে শুকুর আলী, ঈমান আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম ও জোব্বার আলীর ছেলে মো. রিপন। এদের মধ্যে হাফিজুর রহমান ও রিপন পলাতক রয়েছে। আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, আসলাম ফকির ও আবদুল কুদ্দুস। গ্রেফতার ৯ আসামির সবাই উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছে।

এজাহার ও আদালতসূত্র জানায়, বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার আকরাম হোসেনের স্ত্রী দুই সন্তানের মা বিউটি বেগম ঠনঠনিয়া এলাকার একটি ক্লিনিকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আসামিরা ২০১৫ সালের ২৩ আগস্ট রাতে তাকে অপহরণ করে। নন্দীগ্রাম উপজেলার চৈতন্যপুর-কৈডালা সড়কের পাশে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরদিন সকালে পুলিশ ওইস্থান থেকে কাঁথা ও চাদর মোড়ানো তার বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করে।