মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে এবং তার বিরুদ্ধে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন কথা’ বলার অভিযোগ তুলে পরমাণু আলোচনা থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেছেন, পম্পেও আলোচনায় জড়িত থাকলে তা খুবই ‘নিকৃষ্ট’ হবে। তাই তার জায়গায় ‘আরো বিচক্ষণ’ কাউকে নেওয়া হোক। উত্তর কোরিয়া নতুন একটি কৌশলগত অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর পর এ দাবি জানাল।
ভিয়েতনামের হ্যানয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পিয়ংইয়ং এই প্রথম এমন কৌশলগত অস্ত্র পরীক্ষা করল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও গত বছর চারবার উত্তর কোরিয়া সফর করেছেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমের সঙ্গে বৈঠকের জন্যও সফর করেন তিনি; কিন্তু গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে একটি সাব-কমিটির শুনানিতে এক প্রশ্নের জবাবে পম্পেও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমকে একজন ‘স্বৈরশাসক’ বলে মন্তব্য করলে উত্তর কোরিয়া এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কউন জং-গান বলেন, পম্পেও বেপরোয়া মন্তব্য করেছেন। আমাদের সর্বোচ্চ নেতৃত্বর মর্যাদায় আঘাত করেছেন।” হ্যানয় সম্মেলন হঠাত্ শেষ করে দেওয়ার জন্যও পম্পেওকে দোষারোপ করেছেন জং-গান। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, পরবর্তী আলোচনায় পম্পেও থাকলে অত্যন্ত খারাপ পরিবেশ সৃষ্টি হবে এবং আলোচনা জট পাকিয়ে যাবে। কেসিএনএ বার্তা সংস্থাকে জং-গান বলেন, ‘এমন কী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের আলোচনা শুরুর কোনো সম্ভাবনা থেকে থাকলে সে আলোচনাতেও আমরা পম্পেওকে চাই না। বরং অন্য কাউকে চাই। যিনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সজাগ এবং পরিপক্ব হবেন।’
