পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি প্রার্থী ভারতীকে সিআইডির জেরা

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ২২:১৪

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে যখন প্রচারে ব্যস্ত বিভিন্ন দল, তখন সিআইডির মুখোমুখি হতে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ভারতী ঘোষকে। শুক্রবার সকালে সিআইডি-র একটি দল দাসপুরে ভারতী ঘোষের অস্থায়ী ঠিকানায় পৌঁছে যায়। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর, শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদপর্ব।  আনন্দবাজার পত্রিকা

এক সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন ভারতী ঘোষ। তার পর ভারতী চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন। এর পরেই দাসপুরের চাঁদাবাজি মামলায় ভারতীর নাম জড়িয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি। বেশ কিছুদিন আত্মগোপন করার পর, ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগ দেন ভারতী। এবার ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেতা দেবের বিরুদ্ধে ভোটের ময়দানেও সম্মুখসমরে তিনি। ভোট প্রচারে ভারতীর মুখে তৃণমূলের সমালোচনা শোনা যাচ্ছিল। তার ঝাঁঝালো বক্তৃতায় তপ্ত হয়ে উঠছিল ঘাটালের মাটি। এই পরিস্থিতিতে ভারতীকে জেরার ঘটনায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন। যদিও এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগ নেই বলে দাবি তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের। সিআইডি-র একটি সূত্রের খবর, দাসপুরের তোলাবাজির মামলায় ভারতীকে জেরার জন্য আগেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে গররাজি ছিলেন। সে কারণে সিআইডি-র একটি দল এ দিন দাসপুরে ভারতী যে ভাড়াবাড়িতে থাকছেন, সেখানে পৌঁছে যায়। যদিও এই জেরার বিষয়ে সিআইডি কর্তারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

দাসপুরের ব্যবসায়ী চন্দন মাজির অভিযোগের ভিত্তিতে চাঁদাবাজি মামলার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ভারতীর অভিযোগ ছিল, মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে।