রাস্তা না থাকায় পানির মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৮, ১৩:০৩
তাড়াশ উপজেলার সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটি সব সময় পানিতে ডুবে থাকে। পানি শুকালে কাঁদার ভাগাড়ে পরিণত হয়। বাধ্য হয়ে হাটু পানি আবার কখনো কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছেন বিদ্যালয়ের ৩৫১ জন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন শিক্ষক।
 
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেরাজপুর-ওয়াশিন আঞ্চলিক পাকা সরকটির গা ঘেষে সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটির দুপাশের স্থায়ী বাসিন্দা একজন বাড়ির উঠানে মাটি ফেলে উঁচু করেছেন। আরেকজন জমি উঁচু করে ইউক্যালিপটাস গাছের বাগান করে বাঁশের বেড়া দিয়ে রেখেছেন। সরু রাস্তার এপাশ-ওপাশে মাটি ফেলায় ওই রাস্তাটিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার রুপ নিয়েছে। বিকল্প না থাকায় শিশু শিক্ষার্থীরা পানি ভেঙ্গে যাতায়াত করছেন। 
 
শিক্ষার্থী মালিহা খাতুন, সাব্বির আহমেদ, মীম, মিথিলা সরকার, শিহাব উদ্দিন, খাইরুল ইসলাম, অন্তরা পারভিনসহ অনেকে জানায়, কারো হাটু পানি হলেও অনেকের কোমর পানি। শিশু শ্রেণি থেকে ২য় শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা কোমড় পানিতে ভিজে স্কুলে যাতায়াত করে। অনেক সময় বই-খাতা পানিতে ভিজে যায়।  যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ রেখেছেন। 
 
প্রধান শিক্ষক আলতাব হোসেন বলেন, যাতায়াতের ওই ডোবা রাস্তাটুকোও মালিকানাধীন। তবুও তারা বিদ্যালয়ের স্বার্থে ফাঁকা রেখেছেন। প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে রাস্তাটির মাপ নেওয়া হয়েছে। বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোন খবর নেই।   
 
প্রকৌশলী মো. বাবুল আক্তার বলেন, প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে ঠিকই। তবে এখনও কিছু জানা যায়নি।  
 
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিগগিরই রাস্তাটিতে মাটি ফেলে উঁচু করা হবে।
 
ইত্তেফাক/ইউবি