মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর জিয়াউর রহমান প্রথমে আত্মস্বীকৃত খুনিদের বড় পদে পদায়ন করেন। বিদেশি দূতাবাসে নিয়োগ দেন। যে সব ব্যক্তি প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো তাদেরকে মন্ত্রিসভার সদস্য করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যাতে না হয় সেজন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন। বঙ্গবন্ধুর ১৯৭২ সালের সংবিধান সাগরে ফেলে দিলেন। আবার ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু করলেন। জামায়াতের আমির গোলাম আজমকে নিয়ে আসলেন, নাগরিকত্বও দিলেন।
গতকাল শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি চট্টগ্রাম জেলা শাখার নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী উপরের কথাগুলো বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক শওকত বাঙালি। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান প্রমুখ।
