যে নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও পাঠদানের অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই নীতিমালার আলোকে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়েছেন ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। তারা বলছেন, আগে এমপিওভুক্তি করা, তারপরে শর্ত।
জাতীয় প্রেসক্লাবের বিপরীতে পাশে চলা নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের আমরণ অনশন কর্মসূচির দ্বাদশ দিনে শুক্রবার আন্দোলনকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা এসব দাবি জানান।
শিক্ষকরা বলেন, শর্ত মেনেই আমরা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলাম। এখন এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে কোনো শর্ত মানতে রাজি নই। আগে বেতন পরে শর্ত। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন অব্যাহত থাকবে।
রফিক নামে এক শিক্ষক বলেন, যথযাথ শর্ত মেনেই স্বীকৃতি মিলেছিল। অথচ বছরের পর বছর আমরা মেধা-শ্রম দিয়ে যাচ্ছি বিনা বেতনে। আর সম্ভব নয়। আমরা সদ্য জারি হওয়া এমপিও নীতিমালা-২০১৮ মানতে রাজি নই। আগে এমপিওভুক্তি তারপরে শর্ত।
নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভূষণ রায় জানান, বর্তমান নীতিমালার অধীনে এমপিওভুক্তি হলে আমরা বঞ্চিতই থেকে যাব। নীতিমালায় পাসের হার, শিক্ষার্থীর সংখ্যাসহ অনেক শর্তই উল্লেখ আছে। যা অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও নেই। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনেক পুরোনো এবং বোর্ডের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। এরপরও কেন শর্ত। আমরা নতুন করে শর্ত কিংবা কোনো নিয়মের ফাঁদে পড়তে চাই না। আগে তো আমাদের বেতন দিক। আমাদের এমপিওভুক্ত করা হোক। এরপর না আমাদের উপর শর্ত দেয়াটা মানা যায়।
এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত ১০ জুন থেকে রাস্তায় আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন। আমরণ অনশনের ১২ দিন পর্যন্ত দেড় শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী অসুস্থ হয়েছেন। তারা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে আবার অনশন স্থলে ফিরছেন বলে জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
