বিভিন্ন পেশার সংজ্ঞা

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৯, ২০:৫৭

সুলতানা

 

ডাক্তার

যে সকল লোকেরা M, B, S, F, C, P, D ইত্যাদি কয়েকটি অর্থহীন ইংরেজি বর্ণ ও বর্ণসমষ্টি নামের আগেপিছে লাগিয়ে এসিপ্রুফ ঘরে বসে মিনিটে কাড়ি কাড়ি অর্থ আয় করে, তাদেরকে ডাক্তার বলে। তাদের হস্তলিপি প্রাচীন মেসোপটেমিয়ান।

 

উকিল

যারা বানরের রুটি ভাগাভাগির গল্পটি পেশায় প্রয়োগ করে, তাদের উকিল বলে। তারা শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সারাবছরই একটা কালো লম্বা ঢিলেঢালা আলখাল্লা পরে থাকে।

 

নার্স

যাদের শীতল স্পর্শে অনেক তরুণের প্রেমে পড়ার রেকর্ড ঘটে এবং যাদের সেবার ধরন নিয়ে বিভিন্ন রোমান্টিক গল্প-উপন্যাস, সিনেমা-নাটক ইত্যাদি তৈরি হয়েছে... হচ্ছে, তাদের নার্স বলে।

 

পাইলট

যারা অনেক অনেক পড়াশোনা করেন কেবলমাত্র বিমানের ড্রাইভার হওয়ার জন্য, তাদের পাইলট বলে।

 

পরিসংখ্যানবিদ

যারা এত বড় বড় ডিগ্রি পেয়েও ছোট ছোট স্বাভাবিক সংখ্যা গণনা করতে ঘর কেটে বা টালি টেনে ঝামেলা পাকায়, তাদের পরিসংখ্যানবিদ বলে।

 

কবি-লেখক

যাদের চুল ঝাঁকড়া, চেহারা ও কাঁধে ঝোলানো ঝুলির অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি ও অগোছালো, তাদের কবি বা লেখক বলে। তারা সাধারণত ছ্যাঁকা খেয়ে এ পেশায় নিয়মিত হয়। তবে আধুনিককালে তাদের সংজ্ঞায় কিঞ্চিত্ পরিবর্তন লক্ষণীয়।

গণিতবিদ

যেসব পেশাজীবীর ষড়যন্ত্রের ফলে আজ আমরা ম্যাথে টেনেটুনে পাস করি, তাদের গণিতবিদ বলে।

 

শিক্ষক

যারা সিনেমার নায়ক বা নায়িকার মতো নিজেদের স্কুল লাইফের স্মৃতি বেমালুম হারিয়ে ছাত্রদের মধ্যে খামাখা ত্রাস সৃষ্টি করে, তাদের শিক্ষক বলে।

 

পদার্থবিদ

যেসব বোদ্ধারা ভিনদেশি নিউটন-আইনস্টাইন-এডিসন প্রভৃতি দাঁতভাঙা নামবিশিষ্ট লোকদের বিখ্যাত করে তুলেছে, তাদের পদার্থবিদ বলে। উল্লেখ্য, তাদের খেয়েদেয়ে কাজের পরিমাণ খুবই কম।

 

রসায়নবিজ্ঞানী

যারা হুদাই তেলের ভেতর নুন ও বাতাসের ভেতর তেলকে গলানোর অপচেষ্টা করেন, তাদেরকে রসায়নবিজ্ঞানী বলে।

 

ইঞ্জিনিয়ার

যারা জীবনের কমপক্ষে ১৬-১৮টি বছর টাকা ও বুদ্ধি খরচ করে জিনিসপত্র জোড়াতালি দেওয়া ও মেরামত করা শেখে এবং তার মাধ্যমে জীবিকা অর্জন করে, তাদের ইঞ্জিনিয়ার বলে।

 

ব্যবসায়ী

যাদের তেল চকচকে একটা ভুঁড়ি থাকবে এবং যার তার সামনে নাক ও কানের ভেতরে আঙুল প্রবেশ করানোর একটা সু-অভ্যাস থাকবে, তাদের আদর্শ ব্যবসায়ী বলা যায়।

 

জ্যোতির্বিদ

চাঁদ-সূর্যের ঘর্ষণ বা গ্রহণ, জোয়ার-ভাটা, অমাবস্যা-জ্যোত্স্না ইত্যাদি দেখলে যাদের মনে রোমান্স না জেগে বরং প্রশ্ন জাগে; তাদের জ্যোতির্বিদ বলে।

 

ঠিকানাবিহীন