বাজিতপুর থেকে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত ব্র্যাক স্কুলের ছাত্র সবুজকে (১৪) র্যাবের সদস্যরা গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক মো. নাছিরউদ্দিন (৩৫) ও তার শ্যালক ছেনু মিয়াকে (৩০) আজ শনিবার কিশোরগঞ্জ কোর্টে হাজির করার পর তাদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এদিকে শনিবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুন নূর অপহরণের শিকার সবুজের জবানবন্দি রেকর্ড করে।
বাজিতপুর থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাজিতপুর উপজেলার কামালপুর গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের পুত্র ও স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সবুজকে গত ৮ জুলাই দুপুরে নূরপুর গ্রামের নাছিরউদ্দিন ও কামালপুর গ্রামের ছেনু মিয়া প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে টঙ্গী থানা এলাকায় নিয়ে যায়। বাড়ির লোকজন সবুজকে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরে বাজিতপুর থানায় একটি জিডি করেন।
এদিকে একটি সূত্রে সবুজের পিতা মো. নজরুল ইসলাম জানতে পারেন যে, তার ছেলেকে নাছিরউদ্দিন টঙ্গী থানা এলাকায় নিয়ে গিয়ে আটকে রেখেছে। পরে নাছিরউদ্দিনকে মোবাইল করা হলে সে নজরুল ইসলামের কাছে অপহরণের কথা স্বীকার করে এবং ছেলের মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে সে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে দেয়। গত ১৯ জুলাই ঘটনাটি র্যাব-১ উত্তরা ক্যাম্পে জানালে র্যাব সদস্যরা ঐদিন বিকালে মাছিমপুর ছান্দা রোড এলাকার একটি দোকান থেকে সবুজকে উদ্ধার এবং নাছিরউদ্দিনকে আটক করে। পরে বাজিতপুর থানার পুলিশ ছেনু মিয়াকেও গ্রেফতার করে।
ইত্তেফাক/এমআই
